
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী। দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তারা যৌথ মহড়া জোরদার করেছেন এবং ইরাকের আকাশসীমায় হামলার কৌশল অনুশীলন করছেন। বুধবার নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। পরিকল্পনার আওতায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এছাড়া গভীর ভূগর্ভে অবস্থিত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন স্থাপনাটিও সম্ভাব্য হামলার তালিকায় রয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে সফর করেছেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে নতুন করে হামলা চালানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এই পরিকল্পনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। এর আগে ট্রাম্প বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনাগুলোর বিষয়ে বারবার আপত্তি জানিয়েছিলেন। এমনকি চলতি মাসের শুরুতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা থাকায় নির্বাচনের আগে কোনো হামলার সম্ভাবনা নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে, তখন থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে। এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় গত জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও নৌ চলাচলসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের কারণে তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
সম্পাদক : মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক: এ এইচ সুমন
oporadhkantho@gmail.com
Copyright © 2026 অপরাধ কণ্ঠ. All rights reserved.