সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর সে অনুযায়ী এই নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ইসি সকালে কমিশন সভা করেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে প্রাক প্রস্তুতি মূলক সভা করেছি। সাত ধাপে ভোট করার প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাড়ে চার হাজার ইউপির মধ্যে ৭ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি জানান, প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল ও সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।
প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানান এ নির্বাচন কমিশনার।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আইন পরিবর্তন না হলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের সম্ভাব্য সময় জানালেও নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।
এর আগে নির্বাচন কমিশন চলতি বছরের আগস্টে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পরিকল্পনা করেছিল।
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন করতে হবে। ইসির পরিকল্পনা হলো শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করা।
সম্পাদক : মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক: এ এইচ সুমন
oporadhkantho@gmail.com
Copyright © 2026 অপরাধ কণ্ঠ. All rights reserved.