রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার কমে ৪৫.০৬ শতাংশ


  প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পিএম

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০২০ সালে করোনাকালীন অটোপাসের পর এটিই বোর্ডের ইতিহাসের সর্বনিম্ন পাসের হার। শনিবার বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন। করোনা মহামারিতে ২০২০ সালে অটোপাশের পর এবারই পাশের হার সর্বনিম্ন।

বিভাগের আটটি জেলার ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীদের মোট ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, ছেলেদের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এ বছর মোট ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৯৬৫ জন এবং মেয়ে ২ হাজার ৫৫৫ জন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন জানান, মূল্যায়ন পদ্ধতি ছিল স্বচ্ছ। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় খাতায় যা লিখেছে, সে অনুযায়ী নম্বর দেওয়া হয়েছে; কাউকে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার সুযোগ ছিল না। এ ছাড়া পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। ফলাফলের সামগ্রিক চিত্র উদ্বেগজনক, কারণ বিভাগের ৮ জেলায় মাত্র ৯টি কলেজ থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে, বিপরীতে ৩৯টি কলেজের একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে এই বোর্ডে পাসের হার ধারাবাহিকভাবে ওঠানামা করেছে, যেখানে ২০২১ সালে ৯৭.২৯ শতাংশ থেকে শুরু করে গত বছর তা ৫৯.৪০ শতাংশে নেমেছিল। আর ৩৯টি কলেজের কেউ পাশই করেনি। এ বোর্ডে ২০২০ সালে শতভাগ পাশের পর ২০২১ সালে ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছিল।