শীঘ্রই পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক হবে, জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প


  প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:০৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে খুব দ্রুত একটি বৈঠকের আয়োজন করা সম্ভব হবে। বুধবার ভোরে টেক্সাসের নির্বাচনী সমাবেশ থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সফরের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ ও ইরান পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন। বৈঠকে কারা অংশ নেবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিন ও প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘রাশিয়ার সঙ্গে আমরা অনেক অগ্রগতি অর্জন করছি।

যদিও তিনি এই বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি, তবে পুতিন ও জেলেনস্কির অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে কোনো সরাসরি বৈঠক হয়নি। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে আবুধাবি এবং জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে তিন দফা শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যার মধ্যস্থতা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়নি।

ইরান ইস্যুতেও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আগ্রহী হলেও আলোচনার গতি কমিয়ে দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করতে চায়। ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে খুব ভালো অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র, তবে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে তা সময়সাপেক্ষ। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কখন এটি শেষ করতে চাই।’।

নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প নিশ্চিতভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, যে কোনো কিছুই সম্ভব, তবে এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলা কঠিন। উল্লেখ্য যে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের ফলে উত্তেজনা তৈরি হয়। যদিও পরবর্তীতে শান্তিচুক্তির বিষয়ে বিভিন্ন সমঝোতার চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু সংঘাতের স্থায়ী সমাধান এখনো অধরা রয়ে গেছে। সূত্র: ইয়েনি শাফাক ও আলআরাবিয়া ইংলিশ।