দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম: ভরিপ্রতি সাশ্রয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম হ্রাস পাওয়ার ফলে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন এই দাম শনিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। আজ রোববারও সমন্বিত সেই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ৭৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হবে। এই নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩০ অক্টোবর ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম আরও কমল।
স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির ক্ষেত্রে ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যোগ করতে হবে। গ্রাহকদের স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত থাকায় আলাদাভাবে ভ্যাট আদায়ের সুযোগ নেই। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ মজুরি ও পাথরের দাম থেকে বাদ দিতে হবে। এক্ষেত্রেও আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
চলতি বছর বাজুস এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ১৩০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে। এর মধ্যে ৬২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৬৭ বার কমানো হয়েছে, বাকি একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর ঘটনা ঘটেছিল।